নীলফামারীতে তীব্র শৈত্য প্রবাহ,জনজীবন বিপর্যস্ত


সুভাষ বিশ্বাস,নীলফামারীঃ হিমালয়ের পাদদেশ নীলফামারীতে বইছে শৈত্য প্রবাহ কনকনে শীত আর উত্তরের হিমেল বাতাসে জনজীবন বিপযস্ত। প্রচন্ড শীতের কারণে দূভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের। সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুসারে নীলফামারী জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনে সূর্যের মূখ দেখা না গেলে শীতের তীব্রতা বেড়ে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। অপর দিকে আবহাওয়া অদিদপ্তর শর্তক করেছে বড় ধরনের শৈত্য প্রবাহ আসতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দূর্ঘটনা এড়াতে দিনের বেলাতেও হাড়ির হেড লাইট জ্বালিয়ে চালাতে হচ্ছে গাড়ি। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত, নীলফামারী, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, লালমনির হাট, কুড়িগ্রাম জেলায় শীতের তীব্রতা ক্রমে বেড়েই চলেছে। সরকারী-বেসরকারী সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গরীব ও খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করলেও তা খুবই অপ্রতুল। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২.০০ এ রিপোট লেখা পর্যন্ত জেলা ও আশে পাশের জেলা গুলোতে কোথাও সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। এ কারনে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। তিস্তা নদী ও তার আশে পাশে চর অঞ্চল গুলোতে শীতের তীব্রতা বেশি হওয়ায় এখানকার মানুষের দূভোগ আরো চরমে উঠেছে। নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছে গত ২ দিনে শীতের তীব্রতা বাড়ায় শীত জনিত রোগে জেলায় ১ শতাধিক শিশু, বৃদ্ধ আক্রান্ত হয়েছে। রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজার রহমান মুঠো ফোনে জানান, রংপুর/দিনাজপুর বিভাগের সর্বন্মি তাপমাতা ১০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস একই তাপমাত্রা বিরাজ করছে কুড়িগ্রামের রাজাহাট লাল মনির হাট সদর উপজেলা, নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে। যদি সূর্যের মুখ দেখা না যায় তবে রাতে শীতের তীব্রতা আরো বাড়বে এবং তাপমাত্রা ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশংকা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন